“হারানো জিনের ছায়া”-এর দশম অধ্যায়। এটি নবম অধ্যায়ের ধারাবাহিকতা, যেখানে ভিক্টর রায়ের গোপন গবেষণাগার আবিষ্কৃত হবে এবং নতুন রহস্য উন্মোচিত হবে।
অধ্যায় ১০: গোপন ল্যাব
Genova Biotech-এর পাল্টা আক্রমণের পর ভিক্টর রায়ের সার্ভারে কিছু অদ্ভুত তথ্য পাওয়া গেল। রুবাইয়া উত্তেজনায় বলল,
“স্যার, আমি তাদের সার্ভার থেকে কিছু ফাইল উদ্ধার করেছি। এখানে একটা লোকেশন কোড আছে—সিঙ্গাপুরের বাইরে কোনো দ্বীপ।”
নন্দিতা ফাইলগুলো পরীক্ষা করে গম্ভীরভাবে বলল,
“এটা শুধু লোকেশন নয়। এখানে উল্লেখ আছে একটি গোপন ল্যাবের কথা, যেখানে তারা আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন জীব তৈরি করছে।”
আরিয়ান শান্ত স্বরে বললেন,
“তাহলে ভিক্টর শুধু আমাদের প্রযুক্তি চুরি করেনি, সে ইতিমধ্যেই তা ব্যবহার করছে।”
টিম দ্রুত সিদ্ধান্ত নিল। আরিয়ান, নন্দিতা, আর রুবাইয়া একসঙ্গে সেই দ্বীপে যাওয়ার পরিকল্পনা করল।
কয়েকদিন পর তারা সিঙ্গাপুরে পৌঁছাল। সেখান থেকে গোপনে দ্বীপে প্রবেশ করল। দ্বীপটি বাইরে থেকে সাধারণ মনে হলেও ভেতরে ছিল আধুনিক গবেষণাগার। কাঁচের দেয়াল, উন্নত যন্ত্রপাতি, আর অদ্ভুতভাবে পরিবর্তিত জীবের নমুনা।
রুবাইয়া বিস্ময়ে বলল,
“এগুলো তো মানুষের মতো, কিন্তু পুরোপুরি মানুষ নয়।”
নন্দিতা আতঙ্কিত হয়ে বলল,
“এটা সিনথেটিক বায়োলজির সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যবহার। তারা নতুন প্রজাতি তৈরি করছে।”
ঠিক তখনই ল্যাবের ভেতরে ভিক্টর রায়ের কণ্ঠ ভেসে এল।
“স্বাগতম, ড. রহমান। আমি জানতাম আপনি আসবেন। আপনার প্রযুক্তি এখন আমার হাতে, আর আমি এর মাধ্যমে নতুন পৃথিবী তৈরি করব।”
আরিয়ান দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর দিলেন,
“তুমি বিজ্ঞানকে অস্ত্র বানিয়েছো, ভিক্টর। কিন্তু আমি তোমাকে থামাব।”
ঘরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছাল। গোপন ল্যাবের রহস্য এখন প্রকাশিত, আর যুদ্ধের মঞ্চ প্রস্তুত।
✨ এই অধ্যায়ে:
- ভিক্টর রায়ের গোপন গবেষণাগার আবিষ্কৃত হলো।
- নতুন জীব তৈরির ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা প্রকাশ পেল।
- রোমান্টিক ত্রিভুজের আবহ বজায় আছে (নন্দিতার উদ্বেগ, রুবাইয়ার কিশোরী বিস্ময়)।
- রহস্য ও উত্তেজনা আরও তীব্র হলো, পাঠককে পরবর্তী অধ্যায়ে টেনে নিয়ে যাওয়ার জন্য কৌতূহল তৈরি হলো।
No comments:
Post a Comment