“চট্টগ্রাম থেকে চিপ পর্যন্ত”
চট্টগ্রাম বন্দরে এক লোক হেসেছিল জোরে,
কেউ জানে না কেন সে হেসে উঠল ভোরে।
কনটেইনার থেমে গেল, crane-গুলোও চুপ,
চা-ওয়ালা বলল—
“ভাই, লোকটার মাথায় বোধহয় screw loose একটু!”
কিন্তু সে শুধু আকাশ দেখে বলল ধীরে হেসে—
“বাংলাদেশ একদিন factory বানাবে চাঁদে বসে।”
সবাই হেসে উঠল তখন,
কেউ বলল—“বেশ!”
কেউবা বলল—“আগে রাস্তা ঠিক কর, পরে যেও দেশ!”
তবু লোকটা থামল না আর, হাঁটল বন্দরের ধারে,
জাহাজগুলো ঘুম ভাঙিয়ে horn দিল সাগর পারে।
সে বলল—
“এই যে shipbuilding, শুনছ না তার গান?
লোহা কেটে নদীর দেশে জেগে ওঠে প্রাণ!”
Dockyard-এর আগুনরঙা welding-এরই ফুল,
ঘামে ভেজা কারিগরের চোখে নীল আকুল।
নদীর ছেলে জাহাজ গড়ে, সাগর পাড়ি দেয়,
বিদেশি ক্যাপ্টেন বাংলা শিখে ‘ভাই’ বলে চা খায়!
তারপর সে ঢুকল গিয়ে garments-এর lane,
হাজার মেশিন গুনগুনিয়ে তোলে জীবনের train।
সুঁইয়ের ডগায় সেলাই হয়ে পৃথিবীজোড়া style,
একটা shirt-এর সাথে লেগে মায়ের সন্তানের smile।
Worker আপা lunch break-এ TikTok বানায় চুপে,
Supervisor ধরতে গিয়ে নিজেই নাচে রূপে!
কেউ বলে—
“Export বাড়ছে ভাই!”
কেউ বলে—
“Dollar আন!”
কেউ meanwhile factory-র ভেতর crush খায় প্রতিদিন জান!
লোকটা আবার হাঁটল ধীরে ICT-র দিকে,
ছোট্ট room-এ coder বসে bug-এর সাথে নিকে।
রাত তিনটায় coffee খেয়ে freelance-এর যুদ্ধ,
Client বলে—
“Urgent change.”
ঘুম বলে—
“আমি মৃত।”
Monitor-এর নীল আলোয় চোখ দুটো প্রায় বাঁশ,
তবু Payoneer ঢুকলেই মুখে ঈদের হাস।
মা এসে বলে—
“সারারাত ওই keyboard-এ কী পাও?”
ছেলে বলে—
“মা, এই dollar-এই তো বাসার EMI দাও!”
তারপর electronics factory-তে গেল সে মুচকি হেসে,
বাংলাদেশি blender নাকি এখন export দেশে দেশে।
Fan ঘোরে, TV জ্বলে, fridge দেয় ঠান্ডা হাওয়া,
কিন্তু remote খুঁজতে গিয়ে আব্বু এখনও কাওয়া!
কেউ microwave বানায়, কেউ solder করে board,
কেউ YouTube দেখে শিখে engineer without award।
লোকটা বলল—
“দেখবে একদিন chip-ও হবে local,”
পাশ থেকে এক uncle বলল—
“আগে WiFi কর stable!”
Automotive sector-এ গিয়ে সে থামল কিছুক্ষণ,
Bike assembly line-এ বাজে metallic স্পন্দন।
কেউ nuts আঁটে, কেউ brake বসায় দ্রুত হাতের ছোঁয়ায়,
আর mechanic পাশ থেকে বলে—
“ভাই, hornটা free-তে জোড়ায়?”
ঢাকার jam-এ রিকশাও হাসে গাড়ির দিকে চেয়ে,
তবু স্বপ্ন electric vehicle ছুটবে শহর বেয়ে।
Battery charge হবে নাকি roadside চায়ের দোকানে—
এই নিয়ে startup খুলেছে তিন বন্ধু মগবাজারের মোড়খানে!
Chemical industry-র গন্ধে হাঁচি এল তার নাকে,
কেউ paint বানায়, কেউ medicine, কেউ plastic ঢাকে।
Lab coat পরে scientist চা খেতে যায় টংয়ে,
Formula ভুলে প্রেমপত্র লেখে acid-এরই রংয়ে!
Materials industry meanwhile ইস্পাত গড়ে যায়,
Rod আর cement-এর ভরসায় শহর দাঁড়িয়ে রয়।
Glass factory-তে আগুন জ্বলে সূর্যেরই মতো,
কেউ skyscraper তোলে, কেউ বাসা ভাড়া খোঁজে শত।
লোকটা তখন আবার হেসে দাঁড়াল সবার মাঝে,
বলল—
“এই দেশ শুধু নদী-ধান নয় আগের সাজে।
এই দেশ code লেখে, জাহাজ গড়ে, satellite ছোঁয় আকাশ,
এই দেশ worker-এর ঘামে বানায় ভবিষ্যতের বাস।”
তবু সবাই ভাবল তখন—
লোকটা হাসল কেন?
চট্টগ্রাম বন্দরে ভোরবেলা কী দেখেছিল সে যেন?
সে পকেট থেকে ধীরে বের করল কুঁচকানো এক page—
পুরোনো school essay, class four-এর age।
তাতে লেখা ছিল—
“বড় হয়ে আমি বাংলাদেশে চাকরি করব না।
কারণ এখানে কিছু হয় না।”
লোকটা নিচে নিজের সই দেখে
আবার হেসে উঠল জোরে।
No comments:
Post a Comment