অধ্যায় ১: সূচনা
ঢাকার বনানীতে দাঁড়িয়ে আছে আধুনিক ভবন Genova Biotech। কাঁচের দেয়াল দিয়ে ভেতরে তাকালে দেখা যায়—সাদা ল্যাব কোট পরা গবেষকরা ব্যস্তভাবে কাজ করছে। কম্পিউটার স্ক্রিনে ভেসে উঠছে DNA সিকোয়েন্সের জটিল নকশা, যেন ভবিষ্যতের মানচিত্র আঁকা হচ্ছে।
ড. আরিয়ান রহমান, বয়স ৩৫, কোম্পানির CEO এবং প্রতিষ্ঠাতা। লম্বা, আত্মবিশ্বাসী, আর চোখে অদ্ভুত দৃঢ়তা। আজ তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন।
কনফারেন্স রুমে সাংবাদিক, বিনিয়োগকারী, আর গবেষকরা একত্র হয়েছে। আরিয়ান মঞ্চে দাঁড়িয়ে বললেন—
“আমরা এমন একটি প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছি, যা মানুষের DNA পরিবর্তন করে জটিল রোগের চিকিৎসা করতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, আমরা সম্পূর্ণ নতুন জীব তৈরি করতে পারি—সিনথেটিক অর্গানিজম।”
ঘরে মুহূর্তের জন্য নীরবতা নেমে এল। তারপর করতালির শব্দে ভরে উঠল চারপাশ।
নন্দিতা, সিনিয়র গবেষক, বয়স ৩২, চুপচাপ বসে আরিয়ানের দিকে তাকিয়ে ছিল। তার চোখে ছিল গর্ব, কিন্তু ভেতরে অদ্ভুত আবেগ।
সায়রা, বয়স ১৯, ইন্টার্ন, কিশোরী কৌতূহল নিয়ে সবকিছু দেখছিল। তার চোখে ছিল বিস্ময় আর উত্তেজনা।
“স্যার সত্যিই অসাধারণ,” সে মনে মনে ভাবল।
রাশেদ, বয়স ৩৮, সিনিয়র বিজ্ঞানী, করতালি দিলেও তার মুখে ছিল অদ্ভুত নীরবতা। চোখে এক ধরনের অচেনা ভাব, যেন ভেতরে কিছু চলছে যা অন্যরা বুঝতে পারছে না। তার উপস্থিতি ঘরে এক রহস্যময় আবহ তৈরি করল।
ঘোষণার পর আরিয়ান বললেন—
“এই প্রযুক্তি মানবতার ভবিষ্যৎ বদলে দেবে। কিন্তু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ভুল হাতে গেলে এটি ভয়ঙ্কর অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে।”
ঠিক তখনই কনফারেন্স রুমের আলো হঠাৎ নিভে গেল। স্ক্রিনে ভেসে উঠল একটি অচেনা বার্তা—
“You are not alone. We are watching.”
ঘরে মুহূর্তের জন্য সবাই স্তব্ধ হয়ে গেল। কে পাঠাল এই বার্তা? কীভাবে কোম্পানির নিরাপত্তা ভেদ করা হলো?
আরিয়ান ধীরে ধীরে স্ক্রিনের দিকে তাকালেন। তার চোখে দৃঢ়তা, কিন্তু ভেতরে অদ্ভুত শীতলতা।
“যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে,” তিনি মনে মনে বললেন।
✨ এই অধ্যায়ে:
- Genova Biotech ও প্রধান চরিত্রদের পরিচয় এসেছে।
- আরিয়ানের প্রযুক্তি ঘোষণা হয়েছে।
- নন্দিতা ও সায়রার আবেগের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
- রাশেদকে রহস্যময় রাখা হয়েছে।
- শেষে ক্লিফহ্যাঙ্গার: অচেনা বার্তা, যা ভবিষ্যতের সংঘর্ষের ইঙ্গিত দেয়।
No comments:
Post a Comment